Please read carefully if something wrong in viewing this page
Please be noted that-
ü If Bangla font is installed in your system(PC)/you are using Windows with service pack 2.
ü if not then you can install the font named 'Bangla' or 'SolaimanLipi' just clicking on link(right click>save target as>).You can directly paste the fonts to your WINDOWS Font folder.
ü You can install "Avro Keyboard" program, too which is a good bangla typing software.
ü Or, please check from your 'WINDOWS' folder's font list that 'virinda' font is available or not!(Its should be available in Win-xp 2002-later on version!(WinXP-service pack2);You can COPY it from other PC and PASTE in your Font folder)With 'virinda you'll be able to see these writing in bangla but the font doesn't look nice!
ü Path: C:\WINDOWS\Fonts (if OS installed in drive C)
ü (Tips: type in Run box “Fonts” from Start menu to directly open Fonts folder.)
ü Or, Change your Language setting from Internet option and add Bangla.
ü Path: Tools>Internet Option>General>Language preference>add
ü Change your browser view/Encoding auto-select/Unicode (UTF-8).(view>Encoding>...).Once you configured close the page and re-open it.
Thank you for viewing this page.
অনুভবের অনুভূতি
শাওন রাতে যদি
বৃষ্টির রিমঝিম শব্দে,ঘুম ভেঙ্গে যায় তোমার
বাইরে চঞ্চল বর্ষার উদ্যম নৃত্যের নুপুর নিক্কনে
যদি মোর কথা মনে পড়ে,
শয্যা থেকে উঠে এসে দাড়িও
খোলা জানালার ধারে।
স্মৃতির বাতায়ন খুলে দেখবে মোর ছবি
আমি বৃষ্টিভেজা দুষ্টু বাতাস হয়ে,
চুপিচুপি এসে তোমার ঠোঁটে
বুলিয়ে দেব শীতল পরশ
সমস্ত অস্তিত্বে তোমার
অনুভবে পাবে আমার উপস্থিতি।
--<>--
কবিতা-২
তুমি যদি চাও
তুমি যদি চাও
মোর হৃদয়ের সবটুকু জল
ঢেলে দিতে পারি অকাতরে,
তোমার তৃষ্ণিত বক্ষে।
তুমি যদি চাও
আকাশের সব তারার ফুল
এনে দিতে পারি,
ভালোবেসে তোমার খোঁপায়।
তুমি যদি চাও
চন্দ্রিমা তিথির সবটুকু জোছনা,
ভালবাসায় ভরে দেব
তোমার অধর, শত চুম্বনে।
তুমি যদি চাও
সমুদ্র উর্মির নীলা, মোতির হার
পরাতে পারি কন্ঠে তোমার
যদি মনটা তোমার দাও।
কবিতা-৩
ফিরে এসো তুমি
বিষন্ন হৃদয়ের করুন আকুতি-
একটি বারের তরে, ফিরে এসো তুমি!
ভালবাসা ভরে, একটি পলক তোমার
আমার সত্ত্বা জুড়ে এনে দেবে অনাবিল প্রশান্তি।
সারাজীবন ধরে করব,অর্চনা তোমার
কাঙ্গালের মত ভালবেসেই যাব তোমায়-
বিনিময়ে চাইবোনা কিছুই...
সমুদ্র সাহিল যেমন আকাশের কাছে
চায়না দুফোঁটা বৃষ্টি-গড়িয়ে পড়ুক
তারই নীল বুকে
বরং নিজেকে নিঃশেষ করে-বিন্দুবিন্দু মেঘরাশি
পূর্ণ করে আকাশকে!
আমার এ নিভৃত ভালবাসা
সুর্যের তীব্র কিরণ নয়-যে
সহসা তপ্ত করবে তোমায়!
বরং দখিনা মলয়ের সুরভি হয়ে
জড়িয়ে থাকে তোমারই চারিধারে-
কিন্তু জানতেও পারোনা তুমি!
--<>--
১.
চলোনা হারিয়ে যাই
শুধু দুজনায়,
আকাশ মিশেছে যেথায়
সাগর নীলিমায়।।
২.
প্রেম আছে বলে,পৃথিবীতে
আজও ফোটে ফুল,
পাখীরা গায় গান,ফুলের গন্ধে
হয় ভ্রমরেরা আকুল।।
৩.
পতঙ্গ জানে প্রদীপেই
তার আগ্নেয় সমাধি
তবু আগুনে ঝাঁপ দিতেই
যেন তার সুখ ।।
৪.
গাংচিলের বাসা হয়
পাহাড়ের চুড়া,
কারন সে জানে
পাহাড়ের বুক চিরে
নামবে একদিন
ঝরনা ধারা ।।
৫.
পাখীরা ভুলেছে গান
নদীর থেমেছে কলতান
উচ্ছল উৎকন্ঠিত এ প্রান
তুমি আসবে বলে ।।
৬.
স্বপ্নের মাঝে দেখা দাও তুমি
ওগো স্বপ্ন হরিনী,
চুপিচুপি এসে চলে যাও তুমি
কেন গো নিভৃতচারীনী!
৭.
তোমার জন্যই আমার
প্রতিটা কবিতা লেখা,
তোমার জন্যই আমার
নিরন্তর স্বপ্ন দেখা।।
৮.
নিঃশব্দের শুন্যতায় যখন
হৃদয়ে হাহাকার জাগে,
নিরবতার মাঝে,সকাল সাঝে
তোমায়ভাবতে ভাললাগে।।
৯.
স্বপ্নের সরোবরে ঢেউ দুলে উঠে,
তোমারই স্মৃতিতে মন আবেশিত থাকে।।
১০.
পাখীর কাছে প্রশ্ন করেছ কখনো
কেন সে গায় গান?
ফুলের কাছে জিজ্ঞাসা করেছ,
কেন সে সুরভিত প্রান?
পাখীর কুজনে শুনি তোমারই কন্ঠস্বর
ফুলের পেলবতায় ছোঁয়া তোমারই অধর!
১১.
প্রতিদিন তোমাকে একটি করে চিঠি লিখি,
ভাসিয়ে দিই পূবালী বায়ে,
কিন্তু সে চিঠির আসেনা উত্তর!
তুমি কেমন আছ?
বেঁচে আছ নাকি,
মরে গেছো অনুভবে?
খুব জানতে ইচ্ছে করে।।
১২.
জীবনের সাতরং রংধনু হয়ে,
মিলন-বিরহ মেঘ, জীবনে হাসে।।
১৩.
আকাশ প্রদীপ তলে
কতনা জোনাক জ্বলে
তার থেকে ধার করে এতটুকু আলো
টিপের মত পরিয়ে দিলে
তোমার নিটোল কপালে
লাগবে কেমন বলো?
১৪.
আকাশ বলেছিল,সে আর
ঝরাবেনা দুঃখের বৃষ্টি
বাতাস বলেছিল,সে আর
বইবেনা বিরহের বার্তা!
সোনালী রোদ এসে
উচ্ছলতায় ভরাবে জীবন।
কিন্তু কেউ কথা রাখেনি-
এখন আমার চারিদিকে শুন্য
শ্রাবনের অমানিশা।।
১৫.
আজ আকাশে চাঁদ নেই
নেই ঝাঁকঝাঁক তারার মেলা
অতীত স্মৃতির অলিন্দে আমার
অন্ধকারেই হেঁটে চলা।।
১৬.
নিঃসীম আকাশের অসীম শুন্যতায়
আমি খুঁজে ফিরি আপনার অস্তিত্ব
দৈন্য-হতাশার মেঘ ভেসে বেড়ায় সেথা
দেখিনা সোনালী রোদ!
১৭.
কোন সে সুখের লাগিয়া তুমি
ভাঙলে এ হৃদয়,
জীবন নদীর আশার ভেলা
ডুবালে অবেলায়!
১৮.
আকাশ থেকে ধার করে
এক টুকরো নীল,
এনে মাখিয়ে দিতাম
শরতের শুভ্র কাশফুলের মত
তোমার ওড়নার রঙ!
১৯.
পূর্ণিমা রাতে,বসে তোমার পাশে
তাকিয়ে দেখি আকাশ পানে,
ধরার মাঝে চাঁদকে দেখে,আকাশের চাঁদ
কেমনে লুকায় লাজে!
২০.
নয়ন খুলে দেখোগো চাহিয়া
আঁখির আড়ালে, কে আছে বসিয়া
তোমারই পথপানে-তোমারই সাধনে
জনম জনম ধরিয়া।।
--<>--
২১. প্রতিদিন ভোরে
স্বপ্নের ঘোরে,
ঘুমচোখ মেলে
খুঁজেছি তারে;
ভেবেছি সে আছে
সদা মোর পাশে!
২২. যদিবা ব্যথাই দেবে,
তবে কেন বেসেছিলে ভালো?
আঁধারেই ভালো ছিলাম
কেন দেখিয়েছিলে আলো?
২৩. আর কত দুঃখ তুমি,
দেবে বলো আমায়
পোড়া নয়ন আর কতদিন রবে'
তোমার প্রতিক্ষায়?
২৪. সবকিছু ভেঙ্গেচুরে
আমাকে শুন্য করে
চলে গেছো তুমি
আড়ালে অনুভবে।
নিঃশ্বেষ প্রদীপ তলে
হতাশার বহ্নি জ্বলে
আশার কুহেলিকা মায়ায়
পিছু কেন ডাক তবে?
২৫. স্বপ্নডানা মেলে, খুঁজেছি একদা তারে
নিশীথ-রজনী ভোরে;
কুহুকিনী, মায়াবী জালে জড়িয়ে মোরে
গিয়েছে চলে দূরে;
এ হৃদয় শুন্য করে।
২৬. তুমি নেই পাশে তাই
হারিয়েছে ছন্দ জীবনের;
এলোমেলো স্বপ্নগুলো যেন
সুতো ছেড়া ঘুড়ি!
২৭. দূরে থাকো তবু যেন নয়ন সম্মুখে
ছায়া হয়ে সাথে চলো নিঃশব্দ অলক্ষ্যে।।
২৮. দুর দেশের ঐ চাঁদের বুড়ি
কোথায় চলিস ভেসে?
মোর পিয়া’রে বলনা গিয়ে,
আমায় যেন ভুলেনা সে!
২৯. তোমার জন্য পাড়ি দিলাম
সাত সমুদ্র,তেপান্তর
গহীন অরন্য মন্থন করে নিয়ে এলাম
গজ-মতির হার।
সুমাত্রা-সিংহল খুঁজিয়া এনেছি
তোমার স্বপ্নের ঠিকানা,
তবু তুমি আমার হলেনা!
৩০. তোমায় নিয়ে পাড়ি দেব, সাত সমুদ্র তেপান্তর
যেথায় শুধু তুমি-আমি, কাটবে সুখের প্রহর!
৩১. আমার যেতে ইচ্ছে করে পাখীর ডানায় উড়ে,
যেথায় আমার ছোট্টবেলার মধুর স্মৃতি ঘিরে
কোথায় আমার খেলার সাথীরা, কোথা সে আম্রকানন?
স্মৃতির অলিন্দে খুঁজে ফিরি শুধু, বৃথাই অন্বেষণ!
৩২. আজও যখন বৃষ্টিভেজা বিকালে
গুমোট মেঘের আছন্ন প্রকৃতির মাঝে
নিরবে বসে থাকি, কাঁচের জানালার ধারে
দিগন্ত পানে চেয়ে উদাস নয়নে
তোমাকেই মনে পড়ে।।
৩৩. বাস্তব জীবনের নিষ্ঠুর কষাঘাতে
আবেগকে দিই জলাঞ্জলি, নিভৃতে
অনুভুতিরা সব মাথা ঠুকে মরে
দৈন্যের কঠিন দুয়ারে।।
৩৪. সুখ পাখিটার খোঁজে
ঘুরি দেশ-দেশান্তর,
একটাই আশা মনের কোনে
যদি পাই দেখা তার!
৩৫. জীবন সায়াহ্নের ক্ষনে
যদিবা বন্ধু করো মোরে মনে
আসিও হেথা নীপবনে
গাহিব শেষের গান, মোরা দুজনে।
উদাসী বাতাস দুলে
ছুঁয়ে যাবে এলোচুলে
পড়বে মনে কি তোমার
পুরনো স্মৃতি ভুলে?
৩৬. আজ থেকে বহু বর্ষ পরে
যদিবা দেখা হয়ে যায় তার সনে,
থামবে কি হৃদস্পন্দন ক্ষনিকের তরে,
তবে কি সে মোরে, রেখেছে মনে?
৩৭. অনামিকা, তুমি আজ কতদুরে!
নীল নক্ষত্র, দিগন্ত ওপারে
আজ আমি ছুঁতে পারি...
আকাশ, সাদা মেঘের সারি
শুধু পারিনা ভিড়তে তোমার বন্দরে
একটু ভালবাসার তরে!
৩৮. সময়ের ব্যবধানে,
অতি প্রিয়জন কেউ, কেমন করে
দূরে যায় সরে
চেনা বৃত্তায়ন ছেড়ে
পাশাপাশি দুজনেই, কারো মুখে কথা নেই
সে যেন মোর সহস্রযোজন দূরে।
(চলবে-->)
অসমাপ্ত কাব্য
হয়তো তোমার আকাশে ঝলমলে তারা!
পূর্নিমার চাঁদ যেন ধুয়েছে ধরা।
পূর্ন তিথির করোজ্জ্বল জোছনায়,
প্রিয় কারো হাতে হাত-
স্বপ্ন বুনে চলেছো তুমি, সোনালী ভবিষ্যত।
হেথা মোর ঘোর অমানিশা
যেন ফুরাবেনা আর!
জীবন প্রদীপের মিটিমিটি শিখা
জ্বলে নিভে বার বার।
রাত্রির শেষ ঘন্টা, দিচ্ছে ওপারের সঙ্কেত।
নিথর রাতের উপকন্ঠে বসে,
কেরোসিনের সলতে আলোয়
খুলে বসেছি ছিন্নপত্র, জীবনের হিসাব।
ঝাপসা আলোয় দেখিনা আলোর খেল
জীবনটা মোর শুধু আঁধারেই ঢাকা!
---<>---